

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মো. সিদ্দিকুর রহমান বিডি এক্সপ্যাটের কার্যক্রমের প্রশংসা করে ভবিষ্যতে সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও বেগবান করতে হাইকমিশনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

উপস্থিত অতিথিরা বলেন, এই আয়োজন কেবল একটি ধর্মীয় ইফতার নয়—এটি বহুসংস্কৃতি, অংশগ্রহণমূলক রাজনীতি এবং সম্প্রদায়ভিত্তিক নেতৃত্বের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।

অনুষ্ঠানে তুরস্ক, ফ্রান্স, বসনিয়া হার্জেগোভিনা, আজারবাইজান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ব্রাজিল, মঙ্গোলিয়া, ফিলিপাইন, স্লোভেনিয়া, রাশিয়া, তুর্কমিনিস্তানসহ প্রায় ২০টি দেশের প্রতিনিধিরা এবং ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের নিজ নিজ ভাষায় নাচ, গান ও কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনে অংশগ্রহণ করেণ।

অনুষ্ঠানে একটি চমকপ্রদ পরিবেশন ছিল বিভিন্ন দেশের রাষ্টদূত কর্তৃক তাদের স্ব-স্ব ভাষায় কবিতা আবৃতি। উপস্থিত সকলে ভিন্নধর্মী এই মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক পর্বকে আনন্দচিত্তে উপভোগ করেন। বাহরাইনস্থ ১৩টি দেশের রাষ্ট্রদূতগণ ও অন্য কূটনৈতিক ব্যক্তিবর্গ তাদের মাতৃভাষায় কবিতা আবৃতি করেন।

অনুষ্ঠানে তুরস্ক, ফ্রান্স, বসনিয়া হার্জেগোভিনা, আজারবাইজান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ব্রাজিল, মঙ্গোলিয়া, ফিলিপাইন, স্লোভেনিয়া, রাশিয়া, তুর্কমিনিস্তানসহ প্রায় ২০টি দেশের প্রতিনিধিরা এবং ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের নিজ নিজ ভাষায় নাচ, গান ও কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনে অংশগ্রহণ করেণ।
৪ দিন আগেউদ্বোধনী বক্তব্যে চেয়ার বব ব্ল্যাকম্যান এমপি বলেন, অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা এবং দলটির নিবন্ধন স্থগিত করা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে না।

সকল ভাষা শহিদকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করে রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে বলেন, ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমাদের স্বকীয়তাবোধ ও জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তারা ভবিষ্যতে প্রবাসীদের নিয়ে সচেতনতামূলক কর্মসূচি, সভা-সমাবেশ ও কূটনৈতিক মহলে যোগাযোগ বৃদ্ধির পরিকল্পনার কথা জানান। সম্মেলনের শেষে দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।

আলোচনায় বক্তারা ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, যদিও ভারতবর্ষ ভাগ হয়েছিল ধমের্র ভিত্তিতে তবুও আমাদের ভাষা ছিল আমাদের পরিচয়। বাংলা ভাষা ও ধর্মের সংমিশ্রণে আমাদের জাতিগত পরিচয় এবং তার ফলেই আজকের এই বাংলাদেশ।
২১ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) দেশটিতে নিযু্ক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. রইস হাসান সরোয়ার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৮টায় দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী কর্মসূচির সূচনা করেন। এরপর ভাষা শহিদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ তার বক্তব্যে ভাষা শহিদ, মুক্তিযুদ্ধে শহিদ ও জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তিনি সব ধরনের ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশ গড়ার কাজে মনোনিবেশ করার আহ্বান জানান।

দিবসটি পালনের জন্য জেদ্দা ও মক্কার বিভিন্ন রাজনৈতিক-সামাজিক সংগঠন, সাংবাদিক, পেশাজীবী ও সাধারণ প্রবাসীরা সকাল সাড়ে ৭টায় জেদ্দা কনস্যুলেট প্রাঙ্গণে উপস্থিত হন। ভাষা শহিদদের সম্মানে সবাই ছিলেন নগ্ন পায়ে।

মানন্যা কর্মকার গেয়ে শোনান পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালজয়ী ‘আজ মন চেয়েছে হারিয়ে যাব’। তার সুন্দর কণ্ঠ উপস্থাপনায় দর্শক-শ্রোতাদের মাঝে বাংলা গানের আবহে একান্ত প্রিয়জনের সঙ্গে অজানায় হারিয়ে যাওয়ার অসামান্য অনুভূতি জাগিয়ে তোলে। তার অপর পরিবেশনা ছিল ‘এই সুন্দর স্বর্ণালী সন্ধ্যায়’।

সম্মাননা প্রাপ্তদের হাতে ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেন ক্যাম্বেলটাউন সিটি কাউন্সিলের মেয়র ডার্সি লাউন্ড। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফেডারেল এমপি ডেভিড মনক্রিফ, এমপি নাথান হ্যাগার্টি, কাউন্সিলর আশিকুর রহমান অ্যাশ, কাউন্সিলর এলিজা আজাদ রহমান ও কাউন্সিলর শিরিন আখতারসহ স্থানীয় কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ।

আয়োজকেরা জানান, প্রবাসে থেকেও নিজেদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে লালন করার জন্য এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এ ধরনের উৎসব প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধন আরও দৃঢ় করে এবং নতুন প্রজন্মকে শেকড়ের সঙ্গে পরিচিত হতে সহায়তা করে।

‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি’—জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। উৎসবমুখর এ অনুষ্ঠানে বাঙালি মেয়েরা বাসন্তী রঙের শাড়ি পরে, খোঁপায় ফুল গুঁজে, নানা বাহারি রঙে সেজে এতে অংশ নেন।

গান শেষ হলেও থেমে থাকেনি গল্প। আড্ডায় আড্ডায় উঠে আসে প্রবাসজীবনের না-বলা কথাগুলো। কুইজের মজায় জমে ওঠে হাসির রোল, গল্পের ফাঁকে ফাঁকে খুলে যায় স্মৃতির ঝাঁপি। কেউ শোনান প্রথম বসন্তে প্রেমে পড়ার গল্প, কেউ আবার ভালোবাসা দিবসের পুরনো চিঠি কিংবা দূরে থেকেও ভালোবাসা আগলে রাখার অভিজ্ঞতা।

প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার মোহাম্মদ ওসমান বলেন, "আমিরাতে আসার পর থেকেই আমার পরিকল্পনা ছিল নিজস্ব প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা৷। আর সে লক্ষ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সর্বপ্রথম আজমানে ২০২১ সালে ফয়সাল মাহমুদ বিল্ডিং মেটেরিয়ালস ট্রেডিং এলএলসি দিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলাম৷

রোববার আবুধাবির আল বাহিয়ার একটি ফার্ম হাউজে অনুষ্ঠিত জাঁকজমকপূর্ণ এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাস্ট্রদূত তারেক আহমেদ।

নবগঠিত সংগঠনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা হলেন—মুন্সি রোকেয়া সুলতানা (রেনু), কাজী ইনসানুল হক, বিমান পোদ্দার, কাজী আসগর আহমেদ সানি, আব্দুস সামাদ কামাল।
